মুহাররম মাসের করনীয় বর্জনীয়

মুহাররামুল হারাম” বলা হয়েছে আরবী বছরের বা হিজরী সালের প্রথম মাসকে। অর্থাৎ সন্মানিত মুহাররাম মাস। আল্লাহ যে চারটি মাসকে সন্মানিত করেছেন তার মধ্যে মুহাররাম মাস রয়েছে। আগের উম্মতের জন্য সবচেয়ে সন্মানি রোজা ছিল এই মাসের রোজা। একে আশুরার রোজা বলে। ফরজ রোজার পরে তাদের নিকট বিস্তারিত পড়ুন …

জিলহজ মাসের করনীয় ও বর্জনীয়

মুসলিম উম্মাহর কাছে এ মাসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য অনেক। এ মাসেই মুসলিম উম্মাহর বৃহৎ উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা ও ফরজ ইবাদত হজ পালিত হবে। প্রেমের সাগরে ভাসবে কাবা প্রাঙ্গন। ত্যাগ ও কোরবানির মাঝ দিয়ে মহান আল্লাহ প্রেমের নজীর দেখাবে মুসিলম বিশ্ব। কোরবানি ও হজ ছাড়াও বিস্তারিত পড়ুন …

তায়াম্মুমের সুন্নাত সমুহ

১. بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ পড়ে তায়াম্মুম শুরু করা। নাসায়ী- ৭৮; বাইহাক্বী- ১৯৪ ২. হাতের আঙ্গুল সমূহ ফাঁক করে উভয় হাতের তালু মাটিতে রাখা । আবূ দাউদ- ৩১৮; রদ্দুল মুহতার- ১/৩৯৩; আল-বাহরুর রায়েক- ১/৪০৮ ৩. এরপর উভয় হাত মাটিতে সামনে-পেছনে ঘর্ষন করা। নাসায়ী- ৩২০; দারাকুতনী, বিস্তারিত পড়ুন …

তায়াম্মুমের ফরজ সমুহ

তায়াম্মুমের ফরজ তিনটি ১. নিয়ত করা। অর্থাৎ নামায সহীহ হওয়ার জন্য অথবা পবিত্রতা অর্জনের জন্য অথবা এমন মৌলিক ইবাদতের উদ্দেশ্যে তায়াম্মুম করা যা পবিত্রতা ব্যতীত সহীহ হয় না। সূরা নিসা- ৮৩; বাইহাক্বী- ৯৭২ ২. মাটি বা মাটি জাতীয় কোন পবিত্র বস্তুতে হাত মেরে একবার সমস্ত বিস্তারিত পড়ুন …

গোসলের সুন্নাত সমুহ

১. ফরজ গোসলের পূর্বে ইস্তিঞ্জা তথা পেশাব করে নেওয়া। মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক- ১০২০ ২. গোসলখানা নোংরা বা তার মধ্যে পায়খানা থাকলে বাম পা দিয়ে প্রবেশ করা। বুখারী- ১৫৪ ৩. শুরুতে বিসমিল্লাহ পড়া (যদি ভিতরে পায়খানা না থাকে)। নাসায়ী- ৭৮ ৪. উভয় হাত কব্জিসহ তিনবার ধৌত বিস্তারিত পড়ুন …

গোসলের ফরজ সমুহ

গোসলের ফরজ তিনটি। যদি কোন একটি বাদ পড়ে তাহলে উক্ত ব্যক্তির গোসল সই হবে না গোসলের ফরজ সমূহ যথাযথ আদায় করা আত্যাবশ্যক। ১. উত্তমরুপে একবার কুলি করা। অর্থ্যাৎ গড়গড়া করা। মায়িদাহ- ৬; বুখারী- ১৫৯; ফাতাওয়ায়ে শামী- ১/১৯২ ২. নাকের নরম স্থান পর্যন্ত একবার পানি পৌঁছান। বিস্তারিত পড়ুন …